📚রাহাতুল ক্বুলুব ✍🏻নিজামুদ্দীন আউলিয়া (রহ.)
তরিকতের যাকাত–
এরপর এরশাদ করলেন যে আসহাবে তরীকত (তরীকতের সঙ্গীগণ) ও মাশায়েখে কুবার (সম্মানিত আধ্যাত্মিক শিক্ষক, গুরু ও পীরগণকে বুঝায়) তাঁদের উপক্রমে বর্ণনা করেছেন যে যাকাত তিন প্রকারে বিভক্ত।
(১) যাকাতে শরীয়ত (শরীয়তের নিয়মানুযায়ী যাকাত)
যাকাতে শরীয়ত হল শরীয়তের বিধান অনুযায়ী যাকাত, যেমন শতকরা ২.৫% হিসেবে (অবশ্য যে পরিমাণ টাকা থাকলে তার উপর যাকাত বর্তায়)। অর্থাৎ দু'শ টাকার জন্য ৫ টাকা যাকাত প্রদান করা।
এরপর এরশাদ করলেন যে আসহাবে তরীকত (তরীকতের সঙ্গীগণ) ও মাশায়েখে কুবার (সম্মানিত আধ্যাত্মিক শিক্ষক, গুরু ও পীরগণকে বুঝায়) তাঁদের উপক্রমে বর্ণনা করেছেন যে যাকাত তিন প্রকারে বিভক্ত।
(১) যাকাতে শরীয়ত (শরীয়তের নিয়মানুযায়ী যাকাত)
যাকাতে শরীয়ত হল শরীয়তের বিধান অনুযায়ী যাকাত, যেমন শতকরা ২.৫% হিসেবে (অবশ্য যে পরিমাণ টাকা থাকলে তার উপর যাকাত বর্তায়)। অর্থাৎ দু'শ টাকার জন্য ৫ টাকা যাকাত প্রদান করা।
(২) যাকাতে তরীকত (তরীকতের নিয়মানুযায়ী যাকাত)
যাকাতে তরীকতের হিসাব হচ্ছে দু'শ টাকার মধ্যে। নিজের জন্য ৫ (পাঁচ) টাকা রেখে ১৯৫ (একশত পঁচানব্বই) টাকা যাকাত, হিসেবে প্রদান করা।
(৩) যাকাতে হকিকত (আল্লাহ্ প্রাপ্তদের নিয়মানুযায়ী যাকাত)।
হকিকত পন্থীদের যাকাতের নিয়ম হচ্ছে নিজের কাছে যা থাকে সব বিলিয়ে দেয়া। অর্থাৎ দু'শ টাকা থাকলে দু'শ টাকাই বিলিয়ে দেয়া, কেননা দরবেশী হচ্ছে আল্লাহতে বিলীন হওয়ার পথ। সুতরাং লয়প্রাপ্ত ব্যক্তির নিকট কোন কিছু থাকা অন্যায়।
এরপর হুজুর এরশাদ করলেন যে, আমি হযরত খাজা শায়খ শিহাবউদ্দিন সোহরাওয়ার্দী রহমতুল্লাহি আলাইহি-এর দর্শন পেয়েছি এবং তাঁর সান্নিধ্যে কয়েকদিন খেদমত করার সুযোগও লাভ করেছিলাম। তখন দেখেছি যে, এমন কোন দিন ছিলনা, যে দিন তাঁর খানকাহ্ শরীফে ১০/১২ হাজার ফুতুহ (নজর, নিয়াজ, হাদিয়া ইত্যাদি) না আসতো। কিন্তু সমস্ত জিনিস সেই দিনই তিনি আল্লাহ্ তায়ালার রাস্তায় বিলিয়ে দিতেন। এক পয়সাও সন্ধ্যা পর্যন্ত নিজের কাছে রাখতেন না। তিনি বলতেন যদি আমি যেদিনের জিনিস সেদিন বিলিয়ে না দিই তাহলে আমাকে দরবেশ বলা হবে না বরং ধনী বলা হবে।
পরবর্তী পর্ব —
ধৈর্য ও অভাবই হচ্ছে দরবেশের সঙ্গী

No comments:
Post a Comment